রসুন খেলে কী কী উপকার হয় জানতে চাই ? - Ask Answers
Ask Answers এ আপনাকে স্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং সাইটের অন্যান্য সদস্যদের কাছ থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন
6 বার দেখা হয়েছে
"খাদ্য ও পুষ্টি" বিভাগে করেছেন সাধারণ সদস্য (434 পয়েন্ট)

1 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন সিনিয়র অভিজ্ঞ সদস্য (1,553 পয়েন্ট)
কাঁচা রসুন খেলে যা যা  উপকার মিলবে-


ব্রেনের অসুখ দূরে থাকে : রসুনে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করা মাত্র এমন খেল দেখাতে শুরু করে যে নানাবিধ নিউরোডিজেনারেটিভ অসুখে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। বিশেষত অ্যালঝাইমার্স মতো রোগ দূরে থাকে।

হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : রসুনে থাকা একাধিক উপকারি উপাদান স্টমাকের ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে বদ-হজম এবং নানাবিধ পেটের রোগের প্রকোপ কমে চোখের নিমেষে।

জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে : ওয়েদার চেঞ্জের সময় যারা সর্দি-কাশিতে খুব ভুগে থাকেন। তারা আজ থেকেই দু কোয়া রসুন অথবা গার্লিক টি খাওয়া শুরু করুন। তাহলেই দেখবেন আর কোনও দিন এমন ধরনের শারীরিক সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে না। কারণ রসুন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে খুব শক্তিশালী বানিয়ে দেয়। ফলে ভাইরাসদের আক্রমণে শরীরের কাহিল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমে।

সংক্রমণ সব দূরে থাকে : রসুনে থাকা একাধিক কার্যকরি উপাদান ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাসসহ একাধিক জীবাণুর সংক্রমণ আটকাতে যে কোনও আধুনিক মেডিসিনের থেকে তাড়াতাড়ি কাজে আসে। প্রতিদিন ১-২ কোয়া রসুন খেলে এমন ধরনের সব রোগের খপ্পরে পরার কোনও সম্ভাবনাই থাকে না।

ব্লাড প্রসোর নিয়ন্ত্রণে থাকে : রসুনের মধ্যে থাকা বায়োঅ্যাকটিভ সালফার, রক্তচাপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শরীরের সালফারের ঘাটতি দেখা দিলে তবেই রক্তচাপ বাড়তে শুরু করে। এই কারণেই তো দেহের সালফারের ঘাটতি মেটাতে নিয়মিত এক কোয়া করে রসুন খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

ত্বক সুন্দর হয়ে ওঠে : শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদান বা টক্সিনের কারণে ত্বকের যাতে কোনও ধরনের ক্ষতি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখে রসুন। সেই সঙ্গে কোলাজিনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখার মধ্য়ে দিয়ে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। অন্যদিকে প্রায় প্রতিদিন যদি থেঁতো করা রসুন চুলে লাগানো যায়, তাহল দারুন উপকার মেলে।

রক্ত বিষমুক্ত হয় : প্রতিদিন এক গ্লাস গরম পানির সঙ্গে দুটি রসুনের কোয়া খেলে রক্তে থাকা নানা বিষাক্ত উপাদান শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে ধীরে ধীরে ত্বক এবং শরীর উভয়ই চাঙ্গা হয়ে ওঠে।

ইমিউনিটি বাড়ে : রসুনে থাকা ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস, যা দেহের আনাচে-কানাচে জমতে থাকা ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। আর একবার ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী হয়ে উঠলে একদিকে যেমন সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে, তেমনি ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

ক্ষতের চিকিৎসায় কাজে আসে : কেটে গেলে এবার থেকে ক্ষতস্থানে এক টুকরো রসুন রেখে ব্যান্ডেজ দিয়ে বেঁধে দিন। তাহলেই দেখবেন জ্বালা-যন্ত্রণা কমে যাবে। সেই সঙ্গে ক্ষতও সারতে শুরু করবে। রসুনে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান প্রদাহ কমাতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। তাই তো যন্ত্রণা কমাতে এটি এতটা কাজে লাগে।

ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ দূরে থাকে : প্রতিদিন রসুন খেলে পাকস্থলী এবং কলোরেকটাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। তাই যাদের পরিবারে এই ধরনের ক্যান্সারের ইতিহাস রয়েছে তারা রসুন খাওয়া কোনও দিন বন্ধ করবেন না। দেখবেন উপকার পাবেন।

হাড় শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে : নিয়মিত রসুন খাওয়া শুরু করলে দেহের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটারি প্রপাটিজের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে একদিকে যেমন নানাবিধ যন্ত্রণা কমে, তেমনি হাড়ের ক্ষয় হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে।

হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : রসুনে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপাটিজ রয়েছে। এই উপাদানটি একদিকে যেমন শরীরে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, তেমনি উচ্চ রক্তচাপকেও নিয়ন্ত্রণে রাখে। আর একথা তো সবারই জানা আছে যে এই দুটি জিনিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে তো হার্টের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটার আশঙ্কা একেবারেই থাকে না। রক্তে শর্করার মাত্রাকে স্বাভাবিক রাখার মধ্যে দিয়ে ডায়াবেটিসের মতো রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেও রসুনের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।


জার্নাল অফ এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড ফুড কেমিস্ট্রিতে প্রকাশিত প্রবন্ধে কাঁচা ও শুকনো রসুনের প্রভাব বিচার করেছেন বিজ্ঞানীরা৷ ল্যবরেটরিতে বড় হওয়া দু’দল ইঁদুরের মধ্যে এক দলকে বেশ কিছু দিন ধরে খাওয়ানো হয় টাটকা কাঁচা রসুন, আর এক দলকে শুকনো রসুন৷ এর পর তাদের মধ্যে হালকা হার্ট অ্যাটাক সৃষ্টি করিয়ে বিজ্ঞানীরা দেখেন, কোন গ্রুপের ইঁদুর কী ভাবে সামলাচ্ছে এর ধাক্কা৷ দেখা যায়, হার্ট অ্যাটাকের ফলে অক্সিজেনের অভাবে হার্টের পেশির যে ক্ষতি হয়েছে, দু’দল ইঁদুরই তা সামলেছে প্রায় একই রকম দক্ষতায়৷ তবে যারা কাঁচা রসুন খেয়েছিল, এই বিপর্যয়ের পরেও তাদের হার্টের মূল ধমণী দিয়ে রক্ত সঞ্চালন বেশি ভাল ভাবে হয়েছে ও হার্টের মধ্যে এমন কিছু পরিবর্তন হয়েছে যাতে চট করে রোগের ধকল সামলে উঠেছে তারা৷ এ ব্যাপারে মানুষের ওপর পরীক্ষা এখনও না হলেও মোটামুটি নিশ্চিত করে বলা যায়, কাঁচা রসুনের যত উপকার, প্রক্রিয়াকরণের পরে আর তত থাকে না৷

সূত্র: ইন্টারনেট[1]


image

ফারাবি রাহমান, আস্ক অ্যানসারছ এর সমন্বয়ক এবং সহযোগী পরিচালক ৷ পেশায় তিনি একজন পল্লী চিকিৎসক ৷ মানুষের উপকার করতে ভালোবাসেন ৷ তাই স্বাস্থ্যগত সমস্যা সমাধানে পরামর্শ দিয়ে মানুষের উপকার করছেন ৷ আস্ক অ্যানসারছ এর প্রশাসক প্যানেলে থেকে সাথে আছেন সবসময় ৷

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 উত্তর
05 জুলাই "খাদ্য ও পুষ্টি" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন ফারাবি সিনিয়র অভিজ্ঞ সদস্য (1,553 পয়েন্ট)
0 উত্তর
28 জুন "খাদ্য ও পুষ্টি" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
1 উত্তর
28 জুন "খাদ্য ও পুষ্টি" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
2 উত্তর
01 জুলাই "খাদ্য ও পুষ্টি" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Kuddus অভিজ্ঞ সদস্য (1,192 পয়েন্ট)
আস্ক অ্যানসারছ সাইটে আপনাকে
স্বাগতম
এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং অন্যান্য সদস্যদের কাছ থেকে উত্তর পেতে পারবেন।

বিভাগসমূহ

  1. ফারাবি

    393 পয়েন্ট

  2. Aman

    236 পয়েন্ট

  3. Minka

    176 পয়েন্ট

  4. Kuddus

    96 পয়েন্ট

1,119 টি প্রশ্ন

930 উত্তর

38 টি মন্তব্য

46 জন সদস্য

শীর্ষ অবদানকারী
August 2019:
  1. ফারাবি - 102 টি কাজ
  2. Aman - 74 টি কাজ
  3. Minka - 65 টি কাজ
  4. Admin - 46 টি কাজ
  5. Kuddus - 32 টি কাজ
5 জন অনলাইনে আছেন
0 জন সদস্য, 5 জন অতিথি
আজকে ভিজিট : 774
গতকালকে ভিজিট : 3057
সর্বমোট ভিজিট : 94872
এই সাইটে প্রশ্ন ও উত্তর করার জন্য দায়ভার সম্পূর্ন সংশ্লিষ্ট প্রশ্নকর্তা ও উত্তর দানকারীর ৷
...