প্রি মেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম এর কারন ও চিকিৎসা জানতে চাই - Ask Answers
Ask Answers এ আপনাকে স্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং সাইটের অন্যান্য সদস্যদের কাছ থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন
12 বার দেখা হয়েছে
"নারী স্বাস্থ্য" বিভাগে করেছেন অভিজ্ঞ সদস্য (1,319 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 জনের পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন সিনিয়র অভিজ্ঞ সদস্য (1,747 পয়েন্ট)
সাধারণত ২০ বছরের শেষে এবং ৩০ বছরের শুরুতে প্রি মেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম বা মাসিক পূর্ব লক্ষন দেখা যায়। কোনো মাসে মাসিক পূর্ব সিনড্রম এর ফলে ঘটিত শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনগুলো খুব বেশী ভাবে দেখা যায় এবং কখনও কম মাত্রায় দেখা যায়।

লক্ষণ ও উপসর্গঃ
প্রি মেনস্ট্রুয়াল সিনড্রম-এর ফলে সাধারণত  নিচের লক্ষণ ও উপসর্গগুলো দেখা যায় ৷

মানসিক ও আচরণগত উপসর্গঃ
* দুশ্চিন্তা ও উদ্বিগ্নতা, বিষন্নতা, হঠাৎ কেঁদে ফেলা, মেজাজ উঠা-নামা করা এবং ক্রোধান্বিত হওয়া ৷

* খাবারে রুচির পরিবর্তন হওয়া  (Appetite Changes and food cravings)

* নিদ্রাহীনতা বা ঘুমের সমস্যা হওয়া

* সামাজিক কর্মকান্ড থেকে দূরে থাকা (Social withdrawn)

*যে কোন কিছুতে উদাসীনতা বা অসচেতনতা ৷

শারীরিক লক্ষণ ও উপসর্গঃ
* অস্থিসন্ধি অথবা মাংসপেশীতে ব্যথা
* মাথা ব্যথা  এবং অবসাদ
* শরীরে রস জমে ওজন বৃদ্ধি পাওয়া
* পেট ফুলে যাওয়া (Abdominal bloating)
* স্তনে ব্যথা হওয়া
* মুখে ব্রণ বা একনি বেড়ে যাওয়া
* কোষ্ঠকাঠিন্য অথবা ডায়রিয়া হওয়া ৷

কখন ডাক্তার দেখাবেন ?
উপরোক্ত উপসর্গগুলো মারাত্মক আকারে দেখা দিলে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে ৷

পরীক্ষা-নিরীক্ষাঃ
এক্ষেত্রে তেমন কোন শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন নেই। প্রি মেনস্ট্রুয়াল সিনড্রম-এর উপসর্গগুলো জানার মাধ্যমেই ডাক্তার রোগ নির্ণয় করতে পারে।

 চিকিৎসা পদ্ধতিঃ
সাধারণত সমস্যার ধরণ, মাত্রা এবং রুগীর বয়সের উপর চিকিৎসা নির্ভর করে। চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে-
* বিষন্নতা রোধী ঔষধ (Antidepressants),
* ব্যথা নাশক ঔষধ (Nonsteroidal anti
inflammatory Drugs)
* জন্মরিরতি করণ ঔধষ বা পিল
* ইনজেকশন গ্রহণ (যেমনঃ Medroxy progesterone acetate )

জীবন-যাপন পদ্ধতি পরিবর্তনঃ
* বারে বারে অল্প করে খাবার খেতে হবে৷  * খাবারে কম লবণ ব্যবহার করতে হবে ৷  * শর্করা সমৃদ্ধ খাবার যেমন: ফলমূল, শাকসবজি বেশী করে খেতে হবে ৷
* আয়রন বা লোহা সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে ৷
* ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খেতে হবে।
যদি খাবারে পর্যাপ্ত
ক্যালসিয়াম না থাকে তাহলে ক্যালসিয়াম ঔষধ সেবন করতে হবে৷
* প্রতিদিন মাল্টিভিটামিন ঔষধ খেতে হবে ৷
* চা, কফি এবং মাদকদ্রব্য সেবন থেকে
বিরত থাকতে হবে ৷
* প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম
করতে হবে ৷ যেমন হাঁটা, সাইকেল চালানো, সাঁতার ইত্যাদি ৷


ফারাবি রাহমান, আস্ক অ্যানসারছ এর সমন্বয়ক এবং সহযোগী পরিচালক ৷ পেশায় তিনি একজন পল্লী চিকিৎসক ৷ মানুষের উপকার করতে ভালোবাসেন ৷ তাই স্বাস্থ্যগত সমস্যা সমাধানে পরামর্শ দিয়ে মানুষের উপকার করছেন ৷ আস্ক অ্যানসারছ এর প্রশাসক প্যানেলে থেকে সাথে আছেন সবসময় ৷

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 টি উত্তর
1 টি উত্তর
16 মার্চ "নারী স্বাস্থ্য" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Minka নিয়মিত সদস্য (634 পয়েন্ট)
1 টি উত্তর
28 মে "যৌন সমস্যা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Admin সিনিয়র সদস্য (738 পয়েন্ট)

1,342 টি প্রশ্ন

1,162 টি উত্তর

40 টি মন্তব্য

53 জন সদস্য

আস্ক অ্যানসারস বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি অনলাইন কমিউনিটি। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করতে পারবেন ৷ আর অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে অবদান রাখতে পারবেন ৷
  1. Aman

    358 পয়েন্ট

  2. ওয়াহিদ

    246 পয়েন্ট

  3. Minka

    200 পয়েন্ট

  4. ফারাবি

    158 পয়েন্ট

4 জন অনলাইনে আছেন
0 জন সদস্য, 4 জন অতিথি
আজকে ভিজিট : 1535
গতকালকে ভিজিট : 5218
সর্বমোট ভিজিট : 171076
এই সাইটে প্রশ্ন ও উত্তর করার জন্য দায়ভার সম্পূর্ন সংশ্লিষ্ট প্রশ্নকর্তা ও উত্তর দানকারীর ৷
...